ভাঙ্গা থানা-উপজেলা কার্যালয়ে হামলা, পুলিশ মসজিদে আশ্রয় নেন

ফরিদপুর, ভাঙ্গা: সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাস ও পুলিশের মামলা নিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতা উপজেলা পরিষদ, ইউএনও অফিস, হাইওয়ে থানা ও পৌরসভায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে।

দুই সাংবাদিক আহত হয়েছেন—মাইটিভির সারোয়ার হোসেন ও যমুনা টিভির ভাঙ্গা প্রতিনিধি আব্দুল মান্নান। তাদের ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

ঘটনার সূত্রপাত: সোমবার ভোরে অবরোধ কর্মসূচি শেষ হলেও সকাল সাড়ে ১০টার পর ফের সড়ক অবরোধ শুরু হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে বিক্ষুব্ধরা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়।

পুলিশের অবস্থা: ১০-১২ জন আর্মড পুলিশ সদস্য পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মসজিদে আশ্রয় নেন। মসজিদ ও মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাদের রক্ষা করেন।

পরিস্থিতি: বিক্ষুব্ধরা থানায় গিয়ে গাড়ি ও ভবন ভাঙচুর করে, পরে উপজেলা পরিষদ, হাইওয়ে অফিস ও পৌরসভায় অগ্নিসংযোগ চালায়। এখন পরিস্থিতি সাধারণ রয়েছে।

ভাঙ্গা ইউএনও মো. মিজানুর রহমান বলেন, “ইউএনও কার্যালয়ের কিছু অংশ ভাঙচুর হয়েছে। নির্বাচন কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করেছে আন্দোলনকারীরা।”

প্রেক্ষাপট: ৪ আগস্ট নির্বাচন কমিশনের গেজেটে ভাঙ্গার আলগী ও হামিরদি ইউনিয়ন পার্শ্ববর্তী ফরিদপুর-২ আসনে সংযুক্ত হয়। এরপর গত পাঁচ দিনে দুইটি মহাসড়ক, দুইটি রেলপথ ও ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধে দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার মানুষ সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েন।

শেয়ার করুন