
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করার লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্তকরণ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সভা সূত্রে জানা গেছে। সভায় মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীসহ কমিটির সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী ওয়াদা রক্ষায় সারাদেশে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন। তারই অংশ হিসেবে দেশব্যাপী এ কর্মসূচি চালু হতে যাচ্ছে।
১. ফ্যামিলি কার্ড অন্তর্ভুক্তির যোগ্যতা ও অযোগ্যতা নির্ধারণ করতে হবে।
২. পাইলটিং পর্যায়ে অর্থবিভাগের সামাজিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত এমআইএস-এ উপকারভোগীর তথ্য এন্ট্রি করা যেতে পারে। উল্লেখ্য যে, বর্ণিত এমআইএস ব্যবহার করে ইতোপূর্বে করোনা মহামারি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে সরাসরি ইএফটি পদ্ধতিতে অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। উক্ত এমআইসে মাত্র ৪টি তথ্য এন্ট্রি দিতে হবে- এনআইডি, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর, ইউনিয়নের নাম।
৩. অর্থবিভাগের সিঙ্গেল রেজিস্ট্রি সিস্টেম ব্যবহার করে আবেদনকারীর পরিচয় (এনআইডি) যাচাইসহ তার মোবাইল নম্বরটি এনআইডি দ্বারা রেজিস্টার্ড কিনা তা যাচাই করা যাবে।
৪. দ্বৈততা পরিহারের জন্য সিঙ্গেল রেজিস্ট্রি সিস্টেমে এনআইডি, মোবাইল বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দিয়ে যাচাই করা হবে। উল্লেখ্য যে, সিঙ্গেল রেজিস্ট্রি সিস্টেমে সরকারের প্রধান প্রধান সব ক্যাশ বেইজড সিস্টেমের প্রায় ৩ দশমিক ৩ কোটি উপকারভোগীর তথ্যসহ নন-ক্যাশ বেইজড প্রোগ্রাম যেমন ভালনারেবল ওম্যান বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচির ১০ দশমিক ৪০ লাখ ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৫৫ লাখ উপকারভোগীসহ ৪ কোটিরও বেশি উপকারভোগীর তথ্য সংরক্ষিত আছে। এছাড়া টিসিবির ফ্যামিল কার্ড সিস্টেমের সঙ্গে ইন্ট্রিগ্রেশনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এসব যাচাই-বাছাই করে আপাতত বগুড়ার গাবতলী ও দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড চালু করার প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন করছে অর্থ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়।
বগুড়ার গাবতলী উপজেলার ১৮ হাজার ৭৬০ জন নারীকে এবং দিনাজপুর জেলার ১৯ হাজার ১৮৫ জন দুস্থ নারীকে প্রথম পর্যায়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ইস্যু করা হবে। এ ছাড়া আগামী ঈদের আগে ৮টি উপজেলাকে এই কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

